CSS3 দিয়ে কলাম তৈরি - nanodesigns

পত্রিকার ডিযাইনে কলাম দেখা যায়, ছবিগুলো অ্যালবামে কলাম আকারে সাজানো থাকে, আপনার পোর্টফোলিও কলাম আকারে গুছিয়ে দেখাতে পারেন – কলাম ডিযাইন তৈরি ঘুরেফিরেই আপনার প্রয়োজন হবে। এজন্যই এর আগে আমরা দেখেছিলাম কিভাবে পিএইচপি লুপ ব্যবহার করে ওয়েবসাইটে কলামের ডিযাইন করা যায়। আমরা সেদিন বলেছিলাম, CSS3 দিয়েও কাজটা আরো সহজে করা যায়। এতোদিন পরে হলেও আমরা কথা রাখতে পেরেছি, আজ আমরা সেটাই দেখবো ইনশাল্লাহ।

সিএসএস৩ দিয়ে তৈরি কলাম আরো পরিচ্ছন্ন, আরো সহজ। এখানে স্তবকে স্তবকে সাজানো <div>-গুলোকে কোনো ক্লাস কিংবা সিলেক্টরের তোয়াক্কা না করে শ্রেফ সিএসএস দিয়ে ধরে ধরে কলাম আকারে সাজিয়ে ফেলা যাবে। এবং রেসপন্সিভ ডিযাইনেও একই কৌশল কাজে লাগিয়ে লেআউটকে বিভিন্ন ভিউপোর্টে ইচ্ছামতো বদলে নেয়া যাবে।

আসুন দেখা যাক, কিভাবে সেটা করা হয়। আমরা সহজ করার জন্য সবটুকু কাজ একটা ফাইলের মধ্যেই করে দেখাচ্ছি:Continue reading

আমার বাংলা নিয়ে প্রথম কাজ করবার সুযোগ তৈরি হয়েছিল অভ্র^ নামক এক যুগান্তকারী বাংলা সফ্‌টওয়্যার হাতে পাবার মধ্য দিয়ে। এর পর একে একে বাংলা উইকিপিডিয়া, ওয়ার্ডপ্রেস বাংলা কোডেক্সসহ বিভিন্ন বাংলা অনলাইন পত্রিকা তৈরির কাজ করতে করতে বাংলার সাথে নিজেকে বেঁধে নিয়েছি আষ্টেপৃষ্ঠে। বিশেষ করে অনলাইন পত্রিকা তৈরি করতে ডিযাইন করার সময়, সেই ডিযাইনকে কোডে রূপান্তর করবার সময় বারবার অনুভব করেছি কিছু নমুনা লেখার। যে লেখাগুলো ফটোশপে বসিয়ে বাংলায় ডিযাইন করা যাবে, আবার সেই লেখাই অনলাইনে ব্যবহার করা যাবে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, ইংরেজিতে লাতিন Lorem Ipsum… সূচক নমুনা লেখা (dummy texts) থাকলেও বাংলা ভাষায় এরকম কোনো লেখা নেই। তাই নিজের তাগিদেই বাংলা ভাষার জন্য প্রথম নমুনা লেখা তৈরি করলাম, এ হলো বাংলা Lorem ipsum – কিন্তু তার অনুবাদ নয়। আমি একে নামকরণ করেছি:Continue reading

Column Design using PHP-CSS by nanodesigns

পিএইচপি (PHP)

জ্ঞানস্তর: মাধ্যমিক

লক্ষ্যণীয়: এই আলোচনায় ধরে নেয়া হয়েছে যে, পাঠকের পিএইচপি কন্ডিশনাল স্টেটমেন্ট এবং লুপ সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা রয়েছে।

আমি ফেসবুকে আমার অনেকগুলো ছবি একটা অ্যালবামে আপলোড করলাম, তারপর যখন অ্যালবামটা খুললাম, তখন দেখি ছবিগুলো কেমন থরে থরে সাজিয়ে রাখা হয়েছে, যেন পাশাপাশি পাঁচটা বাক্সে পাঁচটা ছবি, তারপর নিচে আবার পাঁচটা বাক্সে পাঁচটা ছবি… বেশ সুন্দর! কিংবা ধরা যাক, আমি একটা ওয়েবসাইট আছে, যেখানে আমার লেখাগুলো একটার পর একটা আসছে। এখন আমি চাচ্ছি যাতে লেখাগুলো দুই কলামে আসে – একটা লেখা বামের কলামে, তো দ্বিতীয় লেখাটা হবে ডানের কলামে, আবার তৃতীয় লেখাটা পরের লাইনে গিয়ে বসবে বামের কলামে… দারুণ হবে বিষয়টা। যারা পিএইচপি জানেন, তারা জানেন যে, এই ছবিগুলোকে একত্র করে দেখানো কিংবা লেখাগুলোকে একটার পর একটা নিয়ে এসে দেখানোর কাজটা করা হয় পিএইচপি লুপ ব্যবহার করে।

আমরা এরকম একটি অতি সাধারণ for loop নিলাম, যেখানে কিছু CSS ব্যবহার করে আমরা একটা প্রাথমিক চেহারা দাঁড় করাবো বিষয়টা বোঝার জন্য।

<?php for($counter = 0; $counter < 5; $counter++) { ?>
   <div class="content-body">
      <div class="test"></div>
      <h2>বিষয় শিরোনাম</h2>
      <p>অর্থহীন লেখা যার মাঝে আছে অনেক কিছু। হ্যাঁ, এই লেখার মাঝেই আছে অনেক কিছু। যদি তুমি মনে করো, এটা তোমার কাজে লাগবে, তাহলে তা লাগবে কাজে। নিজের ভাষায় লেখা দেখতে অভ্যস্ত হও। মনে রাখবে লেখা অর্থহীন হয়, যখন তুমি তাকে অর্থহীন মনে করো; আর লেখা অর্থবোধকতা তৈরি করে, যখন তুমি তাতে অর্থ ঢালো। যেকোনো লেখাই তোমার কাজে অর্থবোধকতা তৈরি করতে পারে, যদি তুমি সেখানে অর্থদ্যোতনা দেখতে পাও।</p>
   </div> <!-- .content-body -->
<?php } //endfor ?>

আমরা এজন্য কিছু CSS লিখলাম, যাতে বিষয়টা একটু বোধগম্য হয়, এই সিএসএস-এর সাথে কলামের এখনও কোনো সম্পর্ক নেই; আমরা আসলে, কলামটা যে ঠিকমতো কাজ করছে, সেটা যাতে বুঝতে পারি, তারই জন্য একটা প্রস্তুতি নিচ্ছি মাত্র।Continue reading

জ্ঞানস্তর: প্রাথমিক

সিএসএস (CSS: Cascade StyleSheet) হলো ওয়েব ডিযাইনের একটি ভাষা, যা দিয়ে ওয়েবসাইটের HTML দিয়ে লেখা কাঠামোগুলোকে সাজানো হয়। ক্যাসক্যাড কথাটার মানে হলো ‘জলপ্রপাতের মতো নেমে আসা’, তবে ইলেকট্রনিক্সের পরিভাষায় এর অর্থটা এরকম: A series of components or networks, the output of each of which serves as the input for the next — বাংলা করলে দাঁড়ায়: ক্যাসক্যাড হলো এমন ধারাবাহিক কিছু, যার একটি দিয়ে অন্যটির সূত্রপাত হয়। সোজা বাংলায় সিএসএসের কোডগুলো ঝরণার মতোই ধাপে ধাপে সাজানো, যেখানে পরের কোডটা, আগের কোডের চেয়ে প্রাধান্য পায়।

রহিম { যাও: ওদিকে;}

রহিম { যাও: এদিকে;}

আগের কমান্ডে রহিমকে বললাম, তুমি ওদিকে যাও, পরের কমান্ডে বললাম এদিকে এসো – রহিম তবে কোনটা শুনবে? সিএসএস যেহেতু ক্যাসক্যাড আকারে লিখিত হলো, ধাপে ধাপে, এবং পরের ধাপটি প্রাধান্য পায়, তাই রহিম পরেরটা শুনবে, অর্থাৎ এদিকে আসবে।

সিএসএসের ধরণ: সিএসএস-এর আসলে কোনো প্রকারভেদ নেই, সব সিএসএস-ই একইরকম। কিন্তু কিভাবে সেটা ব্যবহার করা হচ্ছে, তার হিসাবে সিএসএস তিন রকম:

  1. ইনলাইন সিএসএস বা লাইনের মধ্যবর্তী সিএসএস (Inline CSS)
  2. ইন্টারনাল সিএসএস বা অভ্যন্তরীণ সিএসএস (Internal CSS)
  3. এক্সটার্নাল সিএসএস বা বহিঃস্থ সিএসএস (External CSS)

ইনলাইন সিএসএস লেখা হয় HTML এলিমেন্ট বা ট্যাগগুলোর ভিতরে ভিতরে। এক্ষেত্রে HTML এলিমেন্টের মধ্যে লিখতে হয় style আর সিএসএস কোডগুলো লিখতে হয় সমান চিহ্নের (=) পরে ডাবল কোটের (“”) ভিতরে। এভাবে লেখার কারণটা সিএসএসের মধ্যে নয়, বরং HTML-এর মধ্যে, কারণ HTML-এ কোনো প্রোপার্টি লেখার পদ্ধতি হলো এরকম, সমান চিহ্নের পরে ডাবল কোটের ভিতরে লিখতে হয়। উদাহরণ দেখা যাক:

 <p style=”color: red; align: center;” align=”center”>Paragraph</p> 

কিংবা,

 <div style=”font-size: 12px; color: #333;”>Section is called ‘div’ in HTML</div> 

কিংবা,

 <div style=”font-weight: bold; color: black;”> The color of the text is black, but <span style=”color: red;”>the text inside this span is red</span>.</div> 

লক্ষ করুন, প্রথম উদাহরণে style-এর ভিতরে যে align লেখা হয়েছে, এটা সিএসএস, কিন্তু বাইরে যে align লেখা হয়েছে, তা এইচটিএমএল। এখানে তৃতীয় উদাহরণে লক্ষ করুন, কিভাবে লাইনের ভিতরে ভিতরে সিএসএস করা হয়েছে – এজন্যই একে ইনলাইন সিএসএস বলা হয়।

ইন্টারনাল সিএসএস, HTML এলিমেন্টের ভিতর লেখা হয় না, তবে HTML ফাইলের ভিতরে লেখা হয় বলেই একে অভ্যন্তরীণ সিএসএস বলে। এধরণের সিএসএস লেখা হয় HTML-এর <style> ট্যাগের ভিতরে। এভাবে:

<style>
div{color: black;}
</style>

ইনলাইন সিএসএস-এ যেহেতু আমি HTML এলিমেন্ট বা ট্যাগের ভিতরে ভিতরেই প্রয়োজনীয় সিএসএস কোড বসাতে পারছি, সেহেতু কোন সিএসএস কোনো ট্যাগের জন্য বসানো হচ্ছে, তা সহজেই বোঝা যাচ্ছে। কিন্তু ইন্টারনাল সিএসএস-এ সমস্যা হলো সিএসএস-কে HTML থেকে আলাদা করে লেখা হচ্ছে, তাই তখন রহিম, করিম ইত্যাদি নাম ধরে ডাকতে হয় HTML এলিমেন্টগুলোকে। অর্থাৎ HTML এলিমেন্টগুলো কিংবা তাদেরকে দেয়া id কিংবা class-এর নাম ধরে ডাকতে হয় তখন। যেমন:

<div id=”my-div” style=”font-weight: bold; color: black;”>The color of the text is black, but <span id=”this-is-span” style=”color: red;”>the text inside this span is red</span>.</div></p>
 <style>
  #my-div{color: black;}
  #this-is-span{color: red;}
 </style>

সিএসএস-এ হ্যাশ চিহ্ন (#) দিয়ে HTML-এর id-কে বোঝানো হয়ে থাকে।

ইন্টারনাল সিএসএস, HTML কোড ব্লকের যেকোনো জায়গায়ই বসানো যায়। তবে এক্ষেত্রে উত্তম হলো পাতার সমস্ত সিএসএস <head> এবং </head>ট্যাগের ভিতর বসানো। এভাবে:

<head>
 <style>
  #my-div{color: black;}
  #this-is-span{color: red;}
 </style>
</head>

এক্সটার্নাল সিএসএস-এর নাম থেকেই বুঝা যাচ্ছে, এজাতীয় সিএসএস-কে মূল HTML ফাইল থেকেই বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়। আগেই বলেছি, সিএসএস-এর কোনো রকমভেদ নেই, সব সিএসএসই একই জিনিস, কিন্তু ব্যবহার ভিন্ন বলেই নাম ভিন্ন হয়েছে। তাই সাধারণ সিএসএস কোডই একটা ফাইলে লিখে, তাকে ডট সিএসএস (.css) ফাইল হিসেবে সংরক্ষণ করলেই তাকে এক্সটার্নাল সিএসএস বলা হয়।

ধরা যাক, কোনো একটা ওয়েবসাইটের মূল ফাইলটা যদি হয় index.html, তাহলে সেই HTML এলিমেন্টগুলোর যাবতীয় স্টাইল সাজানো থাকলো style.css ফাইলে। কিন্তু ইনলাইন সিএসএস কিংবা ইন্টারনাল সিএসএস করলে তো সিএসএস কোডগুলো থাকে HTML ফাইলের ভিতরেই, অথচ এক্ষেত্রে আমরা সিএসএস-এর আলাদা একটা ফাইল করেছি। এখন এই দুটোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করবো কিভাবে?

খুবই সহজ। এজন্য HTML-এর <head> এবং </head> ট্যাগের ভিতরে গিয়ে লিখতে হবে:

<link type=”text/css” rel=”stylesheet” href=”style.css”/>

আমরা এখানে HTML-এর <link> ট্যাগটি দিয়ে আমাদের style.css ফাইলটিকে লিংক করছি, যেখানে আমরা বলে দিচ্ছি যে, এই যে ফাইলটা লিংক করছি, তার ধরণ হলো, তাতে সিএসএস কোড text আকারে লেখা রয়েছে, এবং HTML ফাইলটার সাথে ঐ ফাইলটার সম্পর্ক (relation) হলো, ঐ ফাইলটা এই ফাইলের স্টাইলশীট – যা এই ফাইলে ডিযাইন বা স্টাইল যোগ করবে। স্টাইল ফাইলের নাম যে style-ই হতে হবে এমন কোনো কথা নেই হতে পারে styles.css, styleheet.css কিংবা abul.css, kamala.css ইত্যাদি যেকোনো কিছু। তবে style, styles, stylesheet ইত্যাদি বোধগম্য এবং সুন্দর নাম ব্যবহার করতে উৎসাহ দেয়া হয়।

সিএসএস-এর প্রাধান্য: সিএসএস-এ ব্যবহারের ভিত্তিতে করা এই তিন ধরণের মধ্যে একটা খুব মজার বিষয় লুক্কায়িত আছে, আর তা হলো প্রাধান্য বা গুরুত্ব। আচ্ছা, যদি প্রশ্ন করি: পাশের ঘরে আগুন লেগেছে, তার তাপ বেশি অনুভূত হবে, নাকি আপনার হাতে আগুন লেগেছে, তার তাপ? অবশ্যই আপনার হাতের আগুনের তাপ বেশি অনুভূত হবে, তার কারণ হলো নৈকট্য বা প্রক্সিমিটি। সুতরাং খুব সহজেই বোঝা যাচ্ছে যে, এক্সটার্নাল সিএসএস-এর চেয়ে গুরুত্ব বেশি পাবে ইন্টারনাল সিএসএস, আবার ইন্টারনাল সিএসএস-এর চেয়েও বেশি গুরুত্ব পাবে ইনলাইন সিএসএস – কারণ? কারণ ইনলাইন সিএসএস, HTML এলিমেন্টের সবচেয়ে কাছাকাছি থাকে, সেই তুলনায় ইন্টারনাল একটু দূরে, আর এক্সটার্নাল সিএসএস-এর সাথে শুধু পারিবারিক সম্পর্ক (<link rel=”stylesheet”>) আছে, কিন্তু সে থাকে বহুদূরে।
আমরা আগেই বলেছি, উপরের লাইনের সিএসএস-এর চেয়ে [ক্যাসক্যাডিং-এর কারণে] প্রাধান্য পায় তার নিচের লাইনের সিএসএস কোড। এরপর এক্সটার্নাল সিএসএস-এ যে নির্দেশনা দেয়া আছে, ইন্টারনালের নির্দেশনা তারচেয়েও বেশি প্রাধান্য পায়; আবার ইন্টারনালের চেয়ে বেশি প্রাধান্য পায় লাইনের ভিতরে ভিতরে দেয়া সিএসএস।

তবে এই সব সিএসএস-কেই অপ্রধান করেও কোনো সিএসএস প্রোপার্টিকে প্রাধান্য দিতে চাইলে? – সেটা নাহয় আরেকদিন জানবো।

-মঈনুল ইসলাম
গ্রাফিক্স ডিযাইনার অ্যান্ড ওয়েব ডেভলপার
wz.islam@gmail.com

সংস্করণ: ওয়ার্ডপ্রেস ৩.২.১, ৩.৩, ৩.৩.১+

জ্ঞানস্তর: প্রাথমিক

ওয়েব ডিযাইনিং-এ CMS (Content Management System)-এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো জুমলা। কিন্তু প্রাথমিক জ্ঞান দিয়ে যারা ওয়েব ডিযাইন করতে চান, তাদের কাছে সবচেয়ে বেশি পছন্দের ওয়ার্ডপ্রেস। যারা ইন্টারনেটে WordPress.com-এ একটা ব্লগ সাইট খুলেছেন, তারা খুব আশ্চর্য হয়ে ভাবছেন, ওয়ার্ডপ্রেস তো ব্লগ! এটা ওয়েবসাইট হবে কিভাবে? হ্যা, ব্লগের ধারণাকে একটু বদলে নিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে জনপ্রিয় সব ওয়েবসাইট বানানো যায়। আর তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ আপনারা দেখতে পাবেন WordPress.org ওয়েবসাইটে (.com নয়)।

যাহোক, কিভাবে ওয়েবসাইট ডিযাইন করা যায় ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে, তা আমরা কোনো এক টিউটোরিয়ালে বলার আশা রাখি, ইনশাল্লাহ। তবে শুরুতেই আপনাকে সেজন্য ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল করে নিতে হবে আপনার কর্মক্ষেত্রে। এটা যেমন ইন্সটল করা যায় আপনার কম্পিউটারে, তেমনি ইন্টারনেটের সার্ভারেও। আমরা প্রথমে কম্পিউটারে ইন্সলেশন পদ্ধতিটা দেখিয়ে দিচ্ছি, তাহলে সার্ভারে ইন্সটল-প্রক্রিয়া সহজ হয়ে যাবে।Continue reading

CSS-tooltip-how-it-works
জ্ঞানস্তর: মাধ্যমিক

কোনো একটা লম্বা নামকে সংক্ষিপ্ত করে লেখার দরকার হলো, এজন্য প্রত্যেকটা শব্দের প্রথম অক্ষরগুলো, মানে আদ্যক্ষর নিয়ে, আপনি সেই নামটা তৈরি করলেন, ইংরেজিতে যাকে বলে acronym। যেমন: Bangladesh Agricultural and Rural Development-কে সংক্ষেপে ডাকা হয় BARD বলে; এখানে BARD হলো পুরো নামটার সংক্ষিপ্তরূপ। ধরা যাক, একটা লেখা লিখছেন, যেখানে বারবার আপনি BARD-ই বলে যাচ্ছেন। কিন্তু একজন পাঠক BARD-এর মানে তো নাও জানতে পারেন। তাই এসব ক্ষেত্রে HTML-এর সহজ একটা কৌশল কাজে লাগানো হয়: <acronym> কোডটি।

কোডটার ব্যবহার:

<acronym title=“Bangladesh Agricultural and Rural Development”>BARD</acronym>

এই কোডটা ব্যবহার করলে যখনই আপনি BARD লেখাটার উপরে মাউস আনবেন, একটু অপেক্ষা করলেই সেখানে একটা হলদে বাক্সে দেখাবে BARD-এর মানে, যা আপনি acronym-এর title-এ দিয়েছেন। 

কিন্তু যারা HTML-এর acronym ব্যবহার করে একটু ক্লান্ত, তাদের জন্য রয়েছে সিএসএস (CSS)-এর অপূর্ব একটা কৌশল, যার নাম “tool-tip”। আসুন দেখা যাক কিভাবে ব্যবহার করা যায় এটা:Continue reading

সার্ভার-সাইড স্ক্রিপ্টিং ল্যাংগুয়েজ যেমন: পিএইচপি (PHP), এএসপিডটনেট (ASP.net) ইত্যাদি দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করতে গেলে প্রথমেই আপনার দরকার একটা সার্ভার। কিন্তু আপনার বাসায় ইন্টারনেট সংযোগই নেই, কিংবা আপনার নিজস্ব ডোমেইন কেনা নেই, সেক্ষেত্রে আপনি সার্ভার কোথায় পাবেন? সমাধানটা খুব সহজ: যারা পিএইচপি কোড করেন, তারা সবাই পিএইচপিতে কাজ করার জন্য নিজের কম্পিউটারের মধ্যেই একটা বানোয়াট সার্ভার বানিয়ে নেন। পিএইচপি কোড মনে করে সে সার্ভার পেয়েছে, আসলে ওটা মোটেই কোনো ইন্টারনেট সার্ভার না, ওটা কম্পিউটারের মধ্যেই একটা সার্ভারের আবহ, যা অনেকটাই ইন্টারনেট সার্ভারের মতো কাজ করে। একে বলা হয় Local Server, যা মূলত Localhost-এর অধীন হয়।

এই লোকাল সার্ভার বলতে মূলত বোঝায় অ্যাপাচি সার্ভারকে (Apache)। এছাড়াও আরো বিভিন্ন রকম সার্ভার আছে, আমরা সে আলোচনায় যাবো না। অ্যাপাচি সার্ভার ছাড়াও ডাটাবেজের জন্য বহুল পরিচিত প্রোগ্রাম হচ্ছে মাইএসকিউএল (MySQL), আর আপনার লাগবে ডাটাবেজ সংগঠন-সমন্বয়ের জন্য পিএইচপিমাইএ্যাডমিন (phpMyAdmin)। এই শব্দগুলোর আদ্যক্ষর একত্র করলে আপনি পাবেন AMP। আর এগুলো একত্রে সার্ভারে ব্যবহারের জন্য পাওয়া যায় XamppServer সফ্‌টওয়্যারটি। উইন্ডোজের (W) জন্য রয়েছে WAMP, লিনাক্সের (L) জন্য রয়েছে LAMP, ম্যাকের (M) জন্য রয়েছে MAMP। Xampp সব প্লাটফর্মে কাজ করে বলে এটা অনির্ধারিত (X) প্লাটফর্ম। ইন্টারনেট থেকে ফ্রি বা বিনামূল্যে ডাউনলোড করে নিতে পারেন এর যেকোনোটি (পরিশিষ্ট দ্রষ্টব্য)। Wamp কিংবা Xampp ইন্সটল করার সময় কোনো কিছু পরিবর্তন করার দরকার নেই, যা যেভাবে আছে, তার সাথে রাজি হয়ে আপনি তা ইন্সটল করুন। আমরা উইন্ডোজ পিসিতে WAMP ব্যবহার করতে স্বচ্ছন্দবোধ করি। উদাহরণটা তাই WAMP দিয়ে দিচ্ছি, যদিও সবগুলোরই কার্যপ্রক্রিয়া প্রায় এক। আমরা WampServer2.1e ব্যবহার করছি।

WAMP-এর পূর্বনির্ধারিত সেটিংস অনুযায়ী যদি আপনি ইন্সটল করেন, তাহলে তা আপনার কম্পিউটারের প্রাথমিক ড্রাইভে (অধিকাংশ ক্ষেত্রে C:\\) একটা জায়গা করে নিবে। যার ঠিকানাটা মোটামুটি এরকম:Continue reading

 ন্যানোডিযাইন্‌স-এর সকল পাঠক ও শুভাকাঙ্ক্ষির প্রতি শুভেচ্ছা

শুভ নববর্ষ ১৪১৯ বঙ্গাব্দ!

জ্ঞান-স্তর: প্রাথমিক

ভার্ষন: ফটোশপ (যেকোনো ভার্ষন)

একজন ওয়েব গ্রাফিক্স ডিযাইনার হিসেবে আপনাকে জানতে হবে আপনার ডিযাইনটিকে আপনি কোন আকারে বানাবেনঅর্থাৎ ডিযাইন শুরু করার জন্য ফটোশপে যে ফাইলটা নিবেন, তার width-height কত নিবেনএজন্য মনে রাখতে হবে, কম্পিউটারে, মনিটরের রেযোল্যুশন বা দৃশ্যমান অংশের আকার আপনার ডিযাইনের এই অংশকে প্রভাবিত করবে (যাদের ভেক্টর গ্রাফিক্স সম্বন্ধে ধারণা আছে, তারা এই আলোচনাকে ভেক্টরের সাথে তুলনা করে গুলিয়ে ফেলবেন না যেন)

জেনে রাখতে হবে, আমরা ফটোশপে কোনো ছবি, লেখা, আঁকিবুকি ইত্যাদি যাবতীয় কিছুকে পিক্সেল (pixels, পিক্‌যেল) দিয়ে হিসাব করিপিক্সেল জিনিসটা হলো ধরা যাক একটা ছোট্ট আকৃতির বর্গক্ষেত্রআমরা হয় dot জিনিসটা বুঝি, একটা ফোঁটাতবে আমাদের কাছে মনে হয়, ডট জিনিসটা গোলাকৃতি কিছুকিন্তু পিক্সেল জিনিসটা গোলাকৃতি না, এটা বর্গাকৃতিরচিত্র ৩.০১-এ লক্ষ করবেন, বাম দিকে একটা ছোট্ট গোলাকৃতি বৃত্ত আছেওটাকে যখন বড় করে দেখছি আমরা ফটোশপে, তখন ওটা হয়ে যাচ্ছে অনেকগুলো বিভিন্ন [কাছাকাছি] রঙের বর্গক্ষেত্রের একটা সমন্বয়

চিত্র ৩.০১: পিক্সেল ধারণা

চিত্র ৩.০১: পিক্সেল ধারণা

এভাবে কম্পিউটারের মনিটরে যেকোনো ছবি, ভিডিও, লাইন —যা কিছু আমরা দেখি, তা আসলে হাজারে হাজারে পিক্সেলের সমন্বয়ে তৈরিএবারে আপনার মনিটরের দিকে তাকান,Continue reading